সভাপতির বানী

আপন সৃষ্টির মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রামশীল মানুষ আজীবন প্রানান্তর চেষ্টা করে।সৃষ্টিশীলতার অন্যতম মাধ্যম হল শিক্ষা,যা মানুষকে অমর করে রাখে।মানুষকে মানব সম্পদে গড়ে তোলার জন্য ১৯৬৬ সনে যারা কঠোর পরিশ্রম করে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছেন তাদেরকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।এই বিদ্যালয়টি যাতে নতুন প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে এইজন্য এলাকার সুধীজনকে সহযোগিতা করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রধান শিক্ষকের বানী

১৯৬৬ সনে এলাকার শিক্ষানুরাগী ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণের উদ্যোগে আদর্শ মানব সম্পদ ও দেশ প্রেমিক সুশিক্ষত জনগোষ্ঠী তৈরির লক্ষে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকা শিক্ষাবোর্ড বিদ্যালয়টিকে ০১/০১/১৯৬৭ ইং সনে নিম্ন মাধ্যমিক এবং ০১/০১/১৯৭০ সনে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে অনুমোদন প্রদান করেন। এখন বিদ্যালয়টি কালক্রমে ধাপে ধাপে শিক্ষা,খেলাধুলা,স্কাউটিং এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে মুক্তাগাছা তথা ময়মনসিং জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভকরে।বিদ্যালয়টি খুকশিয়া গ্রামের প্রানকেন্দ্রে সুতিয়া নদীর তীরে এবং মুক্তাগাছা-মনতলা-খুকশিয়া দাপুনিয়া বাজার পাকা রাস্তার পাশে এক মনোরম পরিবেশে অবস্থিত।বিদ্যালয়ের বিশাল খেলার মাঠ,ঘাট বাধানো পুকুর ও নদীর তীর সংলগ্ন বিশাল গাছের বাগান রহিয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম, বিভিন্ন কার্য পরিচালনা করার জন্য ২ টি একতলা পাকা ভবন, ৩ টি আধাপাকা ভবন রহিয়েছে। বর্তমানে ৮৯৫ জন শিক্ষার্থী অত্র বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করিতেছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমান আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে তালমিলিয়ে মাল্টমিিডয়ার মাধ্যমে শিক্ষাদান করা হয়। বিদ্যালয়ে সুন্দর ও সুসজ্জিত একটি কম্পিউটারল্যাব রহিয়াছে। যাদের অর্থ,শ্রম,মেধা ও নিরলস প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাদেরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। বিদ্যালয়ের সকল হিতাকাংখী,বাংলাদেশের  স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিদ্যালয়ের বর্তমান এবং সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, বিদ্যালয়ের বর্তমান এবং সাবেক শিক্ষক মন্ডলী,বিদ্যালয়ের বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী , কর্মচারী, এবং বিদ্যালয়ের সাথে জড়িত সকল সুধীজনকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।